লালমনিরহাটের ঐতিহাসিক ‘সাহাবা মসজিদ’ পুনঃনির্মিত হচ্ছে

অনলাইন ডেস্ক: লালমনিটরহাটের ঐতিহাসিক সাহাবা মসজিদ। ৬৯০ খ্রিস্টাব্দ মোতাবেক ৬৯ হিজরিতে নির্মিত হয়। এ প্রাচীণ মসজিদ পুনঃনির্মাণে ৩ ফেব্রুয়ারি গত সোমবার ভিত্তি স্থাপন করা হয়েছে। লালমনিরহাটের ৭ নং পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও সাহাবা মসজিদের সভাপতি দেলওয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে এ দিন অনুষ্ঠিত হয় বিশাল ইসলামি মহাসম্মেলন। সাহাবা মসজিদকে কেন্দ্র করে সেখানে গড়ে তোলা হবে আস-সাহাবা কমপ্লেক্স। মসজিদের পাশাপাশি এটি হবে দেশের সবচেয়ে বড় একটি ইসলামিক সেন্টার।

এ মসজিদটি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার প্রখ্যাত ছাহাবী হযরত আবু ওয়াক্কাস রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি নির্মাণ করেছিলেন। যিনি এ অঞ্চল অতিক্রম করে চীনে গিয়েছিলেন। বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের জেলা লালমনিরহাটের পঞ্চগ্রাম ইউনিয়নের রামদাস গ্রামে ৬৯ হিজরিতে ঐতিহাসিক সাহাবা মসজিদ নির্মিত হয়েছিল। চীনের ঐতিহাসিক কোয়াংটা নদীর ধারে কোয়াংটা শহরে তার নির্মিত আরও একটি মসজিদ এবং তার পবিত্র মাজার শরীফ রয়েছে।

উল্লেখ্য যে, ১৯৮৩-৮৪ সালের দিকে স্থানীয়রা মসজিদটি আবিষ্কার করে। বাংলাদেশের সর্বপ্রথম ও প্রাচীন এই মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে ২১ ফুট লম্বা এবং পূর্ব-পশ্চিমে ১০ ফুট চওড়া। বাংলাদেশের এ প্রাচীন মসজিদটি সাহাবা মসজিদ নামে পরিচিত।