মিষ্টি কুমড়ায় কী আছে জানেন?

অনলাইন ডেস্ক: ভিটামিন এ এর ভালো উৎসের কথা বলা হলে সবার আগে সহজলভ্য মিষ্টি কুমড়ার কথা মাথায় আসে। শীতকালীন এ সবজিতে ভিটামিন ‘এ’ ছাড়াও যে অন্যান্য পুষ্টিগুণে ভরপুর তা অনেকেই হয়তো জানি না।

যুক্তরাষ্ট্রের এগ্রিকালচার’স ফুড ডেটা সেন্ট্রাল বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এক কাপ বা ২৪৫ গ্রাম রান্না বা সেদ্ধ করা (লবণ ছাড়া) মিষ্টি কুমড়ায় রয়েছে- ১.৭৬ প্রোটিন, ২.৭ গ্রাম আঁশ, ৪৯ ক্যালরি, ০.১৭ গ্রাম ফ্যাট, ১২ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট। এতে কোলেস্টেরল নেই।

এ ছাড়াও মিষ্টি কুমড়ায় রয়েছে- ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই, রিবোফ্লোবিন, পটাশিয়াম, কপার, ম্যাংগানিজ, থায়ামিন, ভিটামিন বি৬, ফলিত, প্যানটোথেনিক অ্যাসিড, নিয়াসিন, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস।

মিষ্টি কুমড়ার রয়েছে অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা-

১. আগেই বলেছি মিষ্টি কুমড়াতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ রয়েছে। বিটাক্যারোটিন সমৃদ্ধ এই সবজি চোখের জন্য খুবই ভালো। ভিটামিন এ-এর অভাবজনিত অন্যান্য রোগেও মিষ্টি কুমড়া উপকারী।

২. মিষ্টি কুমড়াতে রয়েছে ৩৩ মিলিগ্রাম বিটাক্যারোটিন। বিটাক্যারোটিন এক ধরনের শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ত্বকের ফ্রি রেডিকেলের ক্ষতি প্রতিরোধে মিষ্টি কুমড়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৩. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ মিষ্টি কুমড়া ক্যানসার প্রতিরোধে সহায়তা করে। আর্টারির দেয়ালে চর্বির স্তর জমতে বাধা দেয়। ফলে মিষ্টি কুমড়া নিয়মিত খেলে হৃদ্‌রোগও প্রতিরোধ করা যায়।

৪. মিষ্টি কুমড়াতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলে সর্দি-কাশি, ঠান্ডা লাগা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।

৫. মিষ্টি কুমড়াতে থাকা প্রচুর ম্যাগনেশিয়াম ও পটাশিয়াম হাইপারটেনশন এবং হৃদ্‌রোগ দূরে রাখে।

৬. মিষ্টি কুমড়ায় প্রচুর পরিমাণে আঁশ থাকায় হজমশক্তি বৃদ্ধি ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে।

শেয়ার করুন:

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest
Share on whatsapp
Share on email
Share on print

আরও পড়ুন: