প্রাথমিকের সময়সূচি সকাল ১০টা থেকে ৩ টা

চাঁপাই অনলাইন ডেস্ক: হাজিরা মেশিন কেনার প্রক্রিয়া চলমান। হয়তো জানুয়ারি-২০২০ সালের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শেষ হবে। প্রশ্ন হচ্ছে ডিজিটাল মেশিন চালু করার আগে সারা বাংলাদেশের সকল শিক্ষক শিক্ষকের একটা আকুল আকুতি প্রকাশ পাচ্ছে যে বিদ্যালয় সময়সূচি ১০.০০ টা থেকে ৩.০০ টা করলে হয়তো নিশ্চিন্ত মনে বিদ্যালয়ের কাজে যোগ দিতে পারবেন। ফেসবুকে দীর্ঘদিন যাবত হাজার হাজার শিক্ষক এই মত প্রকাশ করছে।

সার্বিক দিক বিবেচনা করে, মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে, উল্লেখিত সময় সূচিই আসলেই সঠিক সময়। বিকাল ৩টা বাজলেই কোমলমতী শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাড়ি ফেরার একটি তাড়না লক্ষ্য করা যায়। তাদের মধ্যে যাই যাই একট ভাব সৃষ্টি হয়। এতে করে ৩টার পরের পাঠগুলোতে তাদের মনযোগ থাকে না।

তাছাড়া শিক্ষকরা যেমন তেমন, শিশু শিক্ষার্থীরা সকাল ৯টায় সকলে উপস্থিত হতে পারে না। শিক্ষকরা ঐ সময়ে উপস্থিত হওয়ার জন্য তাড়াহুড়ো করে বিদ্যালয়ে যেতে হয়। বর্তমান সময়ের বিদ্যালয়ের সময়সূচির কারণে শিক্ষার্থীদের শারীরিক মানসিক বৃদ্ধির অন্তরায়।

পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা শিশুদের মেধাবৃদ্ধির সহায়ক। এমতাবস্থায় বিদ্যালয়ে শিশুদের আটকে রেখে তেমন লাভ হয় না। তাই কর্তৃপক্ষের নিকট আকুল আবেদন বিদ্যালয় সময়সূচি পরিবর্তন করে ২০২০ সালের প্রথম কার্যদিন থকে বিদ্যালয় সময়সূচি সকাল ১০ টা হতে বিকাল ৩টা পর্যন্ত করার জন্য বিনীত ভাবে আবেদন করছি। সরকার ৪টি বিদ্যালয়ে পরীক্ষা মূলকভাবে সময়সূচি পরিবর্তন করেছেন। সফলতাই আলোর মুখ দেখাবে। মানসম্মত শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়নে মাঠপর্যায় থেকে অভিজ্ঞতা শেয়ার করলে যে কোন প্রজেক্টই সফলতার সাথে সমাপ্ত হবে।

চাপ দিয়ে কাজ আদায় হয়না, কাজ সফল ও পুরোপুরি আদায় করতে হলে কর্মীদের মনের আকুতি বুঝতে হবে।