জিতে গেল রাজশাহী ১১ ওভারেই

সিলেটের দেয়া ৯২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই আগের ম্যাচে ফিফটি করা হজরতউল্লাহ জাজাইকে হারায় রাজশাহী। জাজাই শূন্য রানে ফিরে গেলেও দলকে কোনো বিপদে পড়তে দেন নি লিটন ও আফিফ। আফিফ ব্যক্তিগত ৩০ রানে ফিরে গেলে শোয়েব মালিককে সাথে নিয়ে বাকি কাজটুকু অনায়াসেই সেরেছেন লিটন। আট উইকেট হাতে রেখে ৯ ওভার হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় রাজশাহী। লিটন ৪৪ রানে ও শোয়েব মালিক ১৬ রানে অপরাজিত ছিলেন।

এর আগে, সিলেটের দুই ওপেনার ব্যাট কর‍তে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি। ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতে দেখে শুনে শুরু করলেও সেটা ধরে রাখতে পারেননি রনি তালুকদার এবং জনসন চার্লস। আন্দ্রে রাসেলের বলে লেগ বিফোর উইকেটের শিকার হন রনি। আউট হওয়ার আগে এই ব্যাটসম্যান করেন ১৭ বলে ১৯ রান। এরপর ইনিংসের পঞ্চম ওভারের শেষ দুই বলে ক্যারিবিয়ান তারকা জনসন চার্লস (১৬) এবং শ্রীলঙ্কার জীবন মেন্ডিসকে (০) বোল্ড করেন কাপালি। অভিজ্ঞ এই লেগ স্পিনারের বল বুঝতেই পারেননি এই দুজন ব্যাটসম্যান। এর ইনিংস মেরামতের কাজ শুরু করেন মোহাম্মদ মিথুন ও অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। তবে এই দুই ব্যাটসম্যানও এদিন ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ ছিল। এই দুই ব্যাটসম্যান প্যাভিলিয়নে ফিরে গেলে সিলেটের ব্যাটিং লাইন তাসের ঘরের মত ভেঙ্গে পরে। শেষ পর্যন্ত ৯১ রানে অল আউট হয়ে যায় সিলেট থান্ডার।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:
সিলেট থান্ডার: ৯১/১০(১৫.৩ ওভার)
রাজশাহী রয়্যালস: ৯৫/২ (১০.৫ ওভার)

রাজশাহী রয়্যালস একাদশ: লিটন দাস, হজরতউল্লাহ জাজাই, অলক কাপালি, রবি বোপারা, আফিফ হোসেন ধ্রুব, আবু জায়েদ চৌধুরী, শোয়েব মালিক, ফরহাদ রেজা, তাইজুল ইসলাম, মিনহাজুল আবেদীন আফ্রিদি ও আন্দ্রে রাসেল (অধিনায়ক)।

সিলেট থান্ডার একাদশ: জনসন চার্লস, রনি তালুকদার, মোহাম্মদ মিঠুন (উইকেটরক্ষক), মোসাদ্দেক হোসেন (অধিনায়ক), জীবন মেন্ডিস, নাজমুল হোসেন, নাঈম হাসান, নাভিন উল হক, ক্রিসমার সান্টোকি, এবাদত হোসেন ও নাজমুল ইসলাম অপু।